বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া এবং এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ যাত্রীর কোনো হদিস না পাওয়া, দেশব্যাপী জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় অসংখ্য হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বহুদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অমনোযোগিতার কারণে জীবনহানি ঘটেই যাচ্ছে। এসব দুর্ঘটনার বিষয়ে পূর্ব থেকে সজাগ ও সতর্ক থাকলে প্রাণহানিসহ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেত।’
নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারকাজ অতিদ্রুত গতিতে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। প্রাণহানিসহ ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সহমর্মিতা।’
শোক প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ দুর্ঘটনায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশসহ তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।’
এর আগে বুধবার বিকেলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে নদীতে পড়ে যায়। পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী পাড়ে উঠতে সক্ষম হলেও বাকী যাত্রীদের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরইমধ্যে কয়েকটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।





