তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিকার ব্যবস্থা এবং অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণমূলক কাঠামো প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান।
ইআরএফ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের সমালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ সরকারকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও নাগরিক উদ্যোগ রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
আরও পড়ুন:
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘গণমাধ্যম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি।’
পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ‘রিফর্ম ট্র্যাকিং’ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আশা প্রকাশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি গণমুখী, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল মিডিয়া পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
অনুষ্ঠানে সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, দৈনিক নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীর এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য রাখেন।





