শোভাযাত্রায় রয়েছে পুলিশের সুজজ্জিত ঘোড়ার বহর। এই বহরে রয়েছে ১২টি ঘোড়া। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ জন শিক্ষার্থী বহন করছেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এরপরই আছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র মূল ব্যানারটি। এর পরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডিন ও উচ্চপদস্থ বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ বিদেশি অতিথিরা অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসস) একটি প্রতিনিধিদলও রয়েছে এ শোভাযাত্রায়। পাশাপাশি কবিতা পরিষদসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এরপরই আছে শোভাযাত্রার ৫টি মোটিফ। মোটিফগুলো হলো—নতুন ভোরের প্রতীক মোরগ, শক্তির প্রতীক হাতি, শান্তির দূত পায়রা, গ্রামীণ ঐতিহ্যের দোতারা এবং ঘোড়া। সেইসঙ্গে লক্ষ্মী পেঁচা ও টেপা পুতুলও থাকছে।
ঢাবির বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এবং শিক্ষার্থীদের অনেকেই এ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। এছাড়া ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী রয়েছেন, যারা বাজাচ্ছেন জাতীয় সংগীত, এসো হে বৈশাখ ও দেশাত্মবোধক সংগীতের সুর।
চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রা প্রদক্ষিণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে এসে শেষ হবে। এরপর সেখানে শুরু হবে বিভিন্ন ধরনের বাংলার লোকজ সংস্কৃতির গান ও নৃত্যসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।





