আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) পরিচালিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স-২০২৬/১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত ও উত্তেজনার কারণে জ্বালানিসহ নানা ধরনের সংকট তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও জ্বালানি পরিশোধন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশে বর্তমানে চট্টগ্রামে অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারি মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। বাকি জ্বালানি পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, ফলে ব্যয় অনেক বেড়ে যায়।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও আমরা দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি স্থাপন করতে পারিনি, যা অত্যন্ত জরুরি।’
রোহিঙ্গা সংকটকে একটি জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘এ বিষয়ে সমন্বিতভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে।’
নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল। তাই সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেই যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য।’ জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেকোনো সংগঠন জবাবদিহিতা ছাড়া উন্নতি করতে পারে না।’
বিশ্ব পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে সেনাপ্রধান বলেন, ‘কোভিড-১৯, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক হরমুজ প্রণালীর সংকট বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।’ এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্বের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।





