দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘গত ১৮০ কার্যদিবসের অভাবনীয় অর্জন জনকল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের যে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে, তার ওপর ভর করেই আমরা একটি নিরাপদ, আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় ২৬টি সরকারি হাসপাতালে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন করা হয়েছে। এটি দুর্গম পাহাড়ি জনপদে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কোভিড-১৯ আমাদের শিখিয়েছে যে কেবল চিকিৎসা নয়, সংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি।’
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্পটির মাধ্যমে “কাউকে পেছনে ফেলে নয়”- প্রধানমন্ত্রীর এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে পাহাড়ের সব জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় ও দুর্গম এলাকার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের আধুনিক স্বাস্থ্য ভাবনারই প্রতিফলন।’
জাপান সরকার, কানাডীয় হাইকমিশন ও ইউএনডিপির সহযোগিতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন তাকাহাশী নাওকি, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জং, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার এবং রাঙামাটি সিভিল সার্জন ড. নূয়েন খীসাসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





