আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ কথা লেখেন।
প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’
তিনি লেখেন, ‘এ দেশে সকল ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করে আসছেন।’
বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘এ পূর্ণিমা তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয় বলে দিনটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করেন।’
আরও পড়ুন:
‘মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা শান্তি, সহনশীলতা, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চিরন্তন বাণী বহন করে। বর্তমান বিশ্বে যখন সংঘাত, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা নানা সংকট সৃষ্টি করছে, তখন গৌতম বুদ্ধের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও শান্তির বাণী আমাদের জন্য গভীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।’—যোগ করেন তিনি।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। এ বাংলাদেশকে সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।’
সবশেষে, বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য, শিক্ষা এবং সম্প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা মানবতার কল্যাণ বয়ে আনুক— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।





