ঘটনাপ্রবাহে দেখা যায়, সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা বাস্তবসম্মতভাবে যাচাইয়ের উদ্দেশে হঠাৎ করেই ফায়ার অ্যালার্ম বাজানোর নির্দেশ দেয়া হয়। অ্যালার্ম বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে ভবনে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত নির্ধারিত ‘অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট’-এ অবস্থান নেন, যা মহড়ার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মহড়ায় অংশগ্রহণকারীদের আগুনের বিভিন্ন প্রকারভেদ এবং প্রতিটি প্রকার অনুযায়ী উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক (এক্সটিংগুইশার) ব্যবহারের প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান সম্পর্কে সম্যক ধারনা প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত— বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী
মহড়া শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মহড়া ও সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আজকের এ আকস্মিক ড্রিলের মাধ্যমে আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রস্তুতি ও দক্ষতা কার্যকরভাবে যাচাই করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মহড়া নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সবাই আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারে।’
ড্রিল চলাকালীন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নির্দেশনা অনুসরণ করে দ্রুত ভবন ত্যাগ, আহতদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহারের বাস্তবধর্মী ধারনা প্রদান করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সচেতনতা বাড়াতে তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এ ধরনের আকস্মিক ও বাস্তবমুখী মহড়া শুধু তাৎক্ষণিক প্রস্তুতি যাচাই করতেই সহায়ক নয়, বরং সার্বিক নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ফলে বেবিচক সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত, কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





