প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, কিছু মহলের সেটি পছন্দ নয়। সেই সব মানুষ, তারা চায় না দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হোক, পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশ এগিয়ে যাক, তারা সেটি চান না। অতীতের মতো তারা আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা চেষ্টা করছে এখন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করা, বন্ধুহীন করার।’
আরও পড়ুন: পর্যায়ক্রমে বন্ধ কলকারখানা চালু হবে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘যারা দেশকে বিতর্কিত করতে চায়, যারা দেশে অরাজকতা করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের স্বৈরাচারের মতো জবাব দিতে হবে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।’
আরও পড়ুন: বিগত সরকারের ১৫ বছর দুর্নীতি, ইন্টেরিমের ১৮ মাস ছিলো ভুলনীতির: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
নির্বাচনের আগে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
তিনি বলেন, ‘ফুটপাত থেকে শুধু হকার উচ্ছেদ নয়, এদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে সরকার। শ্রেণিপেশা অনুযায়ী সরকার যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ধীরে ধীরে সব বাস্তবায়ন করা হবে। কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষকসহ সবার ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।’





