অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম বলেন, ‘জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি সরকার। তার নির্বাচনি ইশতেহার দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এ যাত্রায় আমাদের জেলাপ্রশাসকগণ মাঠ পর্যায়ের উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে আমি আশা রাখি। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ। আমরা একে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চাই।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশে ১৭৪২টি পর্যটন স্পট আছে। দেশের প্রত্যেকটি জেলায় পর্যটন স্পট রয়েছে। আমরা দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছি। আপনাদের দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পারবো ইনশাল্লাহ।’
আরও পড়ুন
এসময় মন্ত্রী মানিকগঞ্জে অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এবং তেওতা জমিদার বাড়িকে পর্যটক আকর্ষণে উন্নয়ন করার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আপনারা প্রত্যেকে নিজ নিজ জেলায় পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে পারেন। একটি নতুন পর্যটন স্পট, একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ, একটি সৃজনশীল উদ্যোগ—এসবই পারে একটি জেলার অর্থনীতি বদলে দিতে। মনে রাখবেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার যাত্রা শুরু হবে আপনাদের হাত ধরেই।’
মন্ত্রীপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা জাহেদ উর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।





