আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য এবার ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টিসহ মোট ২৭টি হাট ইজারার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
আগামী সপ্তাহ থেকে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে, প্রতিটি হাটে একাধিক ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম রাখা হচ্ছে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। এরইমধ্যে সম্ভাব্য হাট গুলোতে বাসানো হচ্ছে ইট, মাইক, বাঁশ, ছাউনি। করা হচ্ছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা।
ব্যবসায়ীরা জানান, লাস্ট টাচ লাগাবে। বাইরে আরও হাট ভরে যাবে গরুতে। একদম মোহাম্মদপুর পর্যন্ত মঞ্চ হবে, প্যান্ডেল হবে। শুক্রবার থেকে কিছু কিছু নামবে।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানান, এবার যত্রতত্র বা রাস্তার ওপর কোনো হাট বসতে দেয়া হবে না। নিয়মের বাইরে কোন ব্যক্তিকে হাটের ইজারা দেবেন না তারা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘সবগুলো হয়ে গেছে। এখন আশা করি যে এবার হাটে গরু বেচার জন্য আসবে যারা ক্রেতা তারাও যাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারে সেই ধরনের ব্যবস্থা ইতিমধ্যে আমরা নিয়েছি। কোরবানির যে সমস্ত বর্জ্য যত্রতত্র যাতে উনারা না ফেলেন এবং প্রত্যেকটা হাটের জন্য আমরা একটা চটের ব্যাগ দিচ্ছি। হাটের জন্য যা যা করা দরকার সবকিছু করা হয়েছে।’
এবার পাঁচ দিন হাটে পশু কেনাবেচা হবে বলে জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।
সীমান্ত এলাকায় পশুর হাট বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বছর কোরবানি যোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। যেখানে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে এবার। সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহ থেকে হাটে পশু আসা শুরু হবে।




