মাইকে আফতাবনগরে ভেতরে হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া হচ্ছে।
কোরবানির ঈদ এলেই রাজধানীর আফতাবনগরের বাসিন্দাদের মনে নেমে আসে অজানা আতঙ্ক। প্রতি বছরের মতো এবারও ঘনবসতিপূর্ণ এই আবাসিক এলাকায় পশুর হাট বসার শঙ্কায় উদ্বিগ্ন লক্ষাধিক মানুষ।
এক গরুর ব্যবসায়ী জানান, আফতাবনগর হাটে গরু নামানো হয়েছে ৩৪টা। সকাল ৭টায় এক গাড়ি, বেলা ১১টায় এক গাড়ি নামানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আফতাবনগরের সাথে লাগোয়া সাতারকুল এলাকায় একটি আবাসিক প্রজেক্টে অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা ঈদ যত নিকটবর্তী হবে তত এই হাট বিস্তৃত হতে পারে আফতাবনগরেও। ইতোমধ্যে আবাসিক এলাকার সামনে বিশাল বড় হাটের গেট নির্মাণ সেই শঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আফতাবনগর হাট থেকে সবসময় কিনি আমরা। দুইবার হাটটা বসে নাই, আমাদের খুব অসুবিধা হয়েছে। তো এবার হাটটা বসছে, আমরা খুব খুশি, এলাকার ও সবাই খুশি। আশা করি এবারও এখান থেকে গরু কিনবো আমরা।
এদিকে, আফতাবনগরে কোন গরুর হাট বসবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক। বলেন, রাস্তা দিয়ে গরুর গাড়ি যেতে পারে তবে হাট বসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, পশু যেতেই পারে। রাস্তা যদি থাকে, রাস্তা যদি থাকে সেখান দিয়ে তো গাড়ি যাবে, সেখানে তো হাট বসবে না। আফতাবনগরবাসী আমাদের কাছে আবেদন করেছে তাদের সোসাইটির পক্ষ থেকে যে সেখানে যাতে গরুর হাট না করা হয়। আমরা সেটাকে আমলে নিয়েছি। তারপরেও যদি কোনো কিছু বিষয় থাকে, সেটা আমরা দেখবো।
এর আগে, ২০২৪ সালে আফতাবনগরে যাতে গরুর হাট না বসে, সেই দাবিতে হাইকোর্টে রিট করা হলে আদালত এলাকায় গরুর হাটের টেন্ডার বাতিল করেন। সেই রায়ের পর থেকে আর হাট বসেনি এই এলাকায়।





