এসময় তিনি জানান, সিডিউল বিপর্যয় রোধে কাজ করছে সরকার। ঈদ যাত্রা স্বস্তি হবে, আর এবার নতুন ৫১ কোচ যুক্ত করা হয়েছে।
অপরদিকে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনযোগে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন নগরবাসী। সকাল থেকে ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিলো বেশি। যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
বেলা ১১টা পর্যন্ত দেশের নানা গন্তব্যে ১৪টি ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে গেলেও সিলেটগামী পারাবত ও চিলাহাটির নীলসাগর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাটের বুড়িমারী এক্সপ্রেস যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
যাত্রীরা জানান,ভিড় এড়াতেই আগেভাগে বাড়ি ফিরছেন তারা। অনলাইনে টিকিট পেতে কিছুটা জটিলতা থাকলেও,এবারের ঈদযাত্রায় রেলপথে বড় কোনো ভোগান্তি ছাড়াই ঘরমুখো মানুষ হাসিমুখে ঢাকা ছাড়ছেন।
১৪ মে যে সব যাত্রীরা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করেছেন আজ তারা নিজ গন্তব্য যাত্রা করছেন। লোকাল, মেইল কমিউটার মিলিয়ে আজ ৬৬টি ট্রেন ঢাকা ছেড়ে যাবে। এছাড়া ঈদযাত্রায় যাত্রীদের জন্য পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্টেশন গুলোতে জিআরপি, আরএনবি,বিজিবি,স্থানীয় পুলিশ, র্যাব প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। টিকিট বিহীন কাউকে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না, ছাঁদে আহরণের ক্ষেত্রে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরুৎসাহিত করছে।




