আগামী বিএসএফ ও বিজিবির ডিজি পর্যায়ের বৈঠকে কোন কোন বিষয়গুলো আপনারা তুলে ধরবেন—জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজি পর্যায়ের যে মিটিংটা হবে, সেটা আমাদের সব সময়ের রেগুলার ফাংশন, প্রতি বছরই হয়। একবার এই সাইডে হয়, আরেকবার ওই সাইডে হয়।
‘এক্ষেত্রে বর্ডারের ইস্যুগুলো এড্রেস করা হবে, উভয় পক্ষের কী কী সমস্যা আছে এবং সমস্যাগুলো কীভাবে হয় সেসব বিষয়ে কথা হবে। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় উত্থাপিত হবে।’
সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং (সীমান্ত হত্যা) বলছেন, সে সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানেন তাহলে খুশি হবো।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনো রকমের কোনো অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইললিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে তা তাদের দেশিয় আইনের ওপর নির্ভর করে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।’
আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর তারা ‘বাংলাদেশি’ নাম দিয়ে সীমান্তে বিপুল সংখ্যক মানুষকে জড়ো করছে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এগুলো শুনতে পাচ্ছি, বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা যে কোনো রকমের ইললিগ্যাল পুশইন বা পুশব্যাকের বিপক্ষে।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু যদি বাংলাদেশের কোনো সিটিজেন যে কোনো কারণেই হোক সে দেশে গিয়ে থাকে, তাদের যদি ন্যাশনাল আইডি আইডেন্টিফিকেশন ভেরিফিকেশন করা হয়, ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন করে যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে সেরকম কোনো তালিকা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রেরণ করে, তারা সেটা আইনানুগভাবে রিপেট্রিয়েশন প্রসেসটা ফলো করবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সেরকম কোনো বিষয় আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত পেন্ডিং নেই, যদি অতীতে পেন্ডিং থাকে সেটা অবশ্যই সেভাবে লিগ্যালি অ্যাড্রেস করা হবে।’




