আজ (রোববার, ২৮ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তার পাড়ে যে মানুষগুলো আছে তারা প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করছে। শুধু তিস্তা নয়, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার নদীভাঙন এলাকায় বসবাসকারী মানুষেরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ বাজেট তারা বুঝছে না, দেখছে না, কিন্তু তারা বাঁচতে চায়।’
তিনি জানান, সম্প্রতি চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে তিস্তা প্রকল্পের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
চীন বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং তিস্তা প্রকল্পের সমীক্ষায় কারিগরি সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘চীন সরকার আশ্বস্ত করেছে বাংলাদেশের সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনায় যা যা কিছু দরকার, চীন সরকার তারেক রহমানের পাশে থাকবে, চীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকবে।’
তিনি আরও জানান, তিস্তা প্রকল্পের সমীক্ষার জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করে দৃশ্যমান পদ্মা ব্যারেজের মতো তিস্তা মহাপরিকল্পনা এ অর্থবছরে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।




