এর আগে, গতকাল (সোমবার, ২৭ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাওয়া হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সে মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে রোববার (২৬ জুলাই) সিইসির কার্যালয়ে সব নির্বাচন কমিশনার ও সিনিয়র সচিব অনির্ধারিত বৈঠক করেন। সেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তফসিল ঘোষণার পরবর্তী কার্যক্রম ঠিক করতে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।
আরও পড়ুন:
নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এর জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এর ভিত্তিতে ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা করবে। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক করবে।
গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।





