প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মিড ডে মিল চালু হয়েছে, এটি নতুন আইডিয়া। প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে কাজ করলে দেশটা এগিয়ে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি “এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস”এ এগিয়ে যেতে পারে এবং একজন ছাত্রের একাধিক পেশার সুযোগ থাকে সে জন্য এরইমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথমে প্রাথমিক পর্যায়ে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে ডিগ্রি পর্যন্তও গিয়েছে। বিভিন্নভাবে বৃত্তির সিস্টেমও কিন্তু আমরা চালু করেছি। কাজেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক ধাপ থেকে কিন্তু শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে সব পর্যায়েই হবে।’
আরও পড়ুন:
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কীভাবে প্রোটিনের চাহিদা মেকআপ করা যায় স্কুলগুলোতেও আমরা কীভাবে দিতে পারি আমরা চিন্তা করেছি এবং পদক্ষেপ নিয়েছি।’
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন
স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান মোল্লা প্রমুখ।
এছাড়া বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতকরণে মিড-ডে মিল কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা , অভিভাবকরা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।





