তিনি বলেছেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালে যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের লক্ষ্য ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্যই তারা লড়াই করেছেন, যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে এবং সবাই শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
আজ (সোমবার, ১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ স্কাউটসের শহিদদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল দেশে একটি পরিবর্তন আনা। এমন একটি পরিবর্তন, যার মধ্য দিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।’
শহিদদের আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করার ক্ষমতা কারও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা শহিদ হয়েছেন, তারা একটি মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য লড়াই করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে শুধু তাদের স্মরণ করলেই হবে না; যারা বেঁচে আছেন, তাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রাণ-প্রকৃতির পাশে থাকার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও এ কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ স্কাউটসের ১০ শহিদ পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক ও সম্মাননা পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি নাসিমুল গণি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের অবদান ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জাতীয় পাঠ্যক্রমে তাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




