বৈঠকে প্রতিনিধিদলটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার বিষয়ক একটি সংসদীয় ককাসের অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়, যা সংসদ সদস্যদের দেশের আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, নীতি নির্ধারণ এবং বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সম্মিলিতভাবে প্রতিবন্ধী অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিকরণকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখবে। প্রতিনিধিরা ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে এই ককাস প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নিতে এবং সকল রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের সংসদে প্রতিবন্ধী অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো উত্থাপনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য অনুরোধ জানান। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এই উদ্যোগকে সমর্থন করেন এবং একটি সংসদীয় ককাস প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিনিধিদলটি তুলে ধরে যে, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী-অন্তর্ভুক্তিমূলক আইন ও নীতি কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও, প্রতিবন্ধী মানুষেরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা, ন্যায়বিচার, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং সহজলভ্য সরকারি পরিষেবা প্রাপ্তিতে প্রতিনিয়ত বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। একটি সংসদীয় ককাস প্রতিবন্ধিতা-সম্পর্কিত আইনের পর্যবেক্ষণ, জবাবদিহিতা এবং শক্তিশালী বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী ও বার্ডো-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুল হক, সাইটসেভার্স বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও, ইকুয়াল বাংলাদেশ স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ার নাসিমা আক্তার, সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজ্যাবিলিটি-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম, সাইটসেভার্স-এর ক্যাম্পেইন উপদেষ্টা অয়ন দেবনাথ, ডিজ্যাবল্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-এর নির্বাহী পরিচালক মর্জিনা আহমেদ, ইউএনডিপি-এর অ্যাডভোকেসি ও নেটওয়ার্কিং স্পেশালিস্ট অসিম ডিও, মানিকগঞ্জ এমডিপিওডি-এর চেয়ারপার্সন কাবেরী সুলতানা জ্যোতি এবং এনজিডিও-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার বশির আল-হোসেন।




