মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে পবিত্রতা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হলেও ২০২৩ সালের পহেলা আগস্ট সাইবার অপরাধের অভিযোগে নজরুল ইসলাম এবং দোসরা আগস্ট ব্যাভিচারের অভিযোগে আটক করা হয় সুইটি আক্তারকে।
দু’জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অপরাধে রায় ঘোষণার উল্লেখ থাকলেও সাজার বিষয়ে কনস্যুলেটের কাছে কোন তথ্য নেই।
আরও পড়ুন:
ওই চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দুই বাংলাদেশির পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস, কনস্যুলেট কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে আইনি সহায়তার জন্য কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি।
এমনকি সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়নি। এদিকে জেদ্দা কনস্যুলেটের আওতাধীন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারগুলোতে মামলায় গ্রেপ্তার ১৪৭ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষিত হয়েছে। তাদেরকে সর্বনিম্ন ১ মাস এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।





