২০২৭ বিশ্বকাপের পথে যাত্রাটা এখন পর্যন্ত সুখকর না বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য। একদিকে ওয়ানডে ফরম্যাটে লাগাতার ব্যর্থতা। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার প্রশ্নে সামাল দিতে হয়েছে বহু নাটকীয়তা। সবকিছু পেছনে ফেলে এবার চোখ পাকিস্তানের বিপক্ষে এক দিনের সিরিজে। এখান থেকেই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় টাইগাররা।
বিশ্বকাপের পথে এখন পর্যন্ত ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। ফিল সিমন্স অবশ্য শুধু কোয়ালিফাইয়ে চোখ রাখছেন না। উন্নতি করতে চান পয়েন্ট টেবিলে।
ফিল সিমন্স বলেন, ‘এটা শুধু এমন নয় যে আমরা অটোমেটিক কোয়ালিফায়ার হতে চাই। আমরা টেবিলে উন্নতি করতে চাই। এটা যদি এমন হয় যে, আমরা ৬, ৭ বা ৮ এ থেকে কোয়ালিফাই করে যাই, সেটা ভালো। তবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য, আমরা উন্নতি করতে চাই।’
বিগত দুই বছর ধরে মাঝের ওভারে স্পিনের বিপক্ষে ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে। সমস্যা সমাধানে পুরোনো মুখ লিটন দাসের দ্বারস্থ হেড কোচ সিমন্স। আসন্ন সিরিজেই লিটনকে দেখা যাবে নতুন ভূমিকায়।
আরও পড়ুন:
হেডকোচ বলেন, ‘একজন ওপেনিং ব্যাটারের পক্ষে ৫০ ওভার ব্যাট করে যাওয়াটা খুবই ডিফিকাল্ট। এছাড়া স্পিনের বিপক্ষে ভালো ব্যাট করতে পারে, আমাদের এমন ব্যাটারদের মধ্যে সে অন্যতম। তার অন্তর্ভুক্তি মিডল অর্ডারে আমাদের সাহায্য করবে। তার স্কিল এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের মিডল অর্ডারে কিছুটা ভারসাম্য আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
অন্যদিকে ব্যর্থতার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে নতুন মুখদের নিয়ে ভালো কিছুর প্রত্যাশা পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনের।
মাইক হেসন বলেন, ‘এটা আমাদের নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার জন্য দারুণ একটা সুযোগ। পরীক্ষার মুখে আমরা আমাদের নতুন খেলোয়াড়দেরও যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছি।’
১১ মার্চ থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের সিরিজ। দুই দলেরই ভালো পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বাড়তি নজর মিরপুরের পিচে। নতুন বছরে মিরপুর কেমন আচরণ করে তাইই হয়ত পার্থক্য গড়ে দিবে এ সিরিজে।





