বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন করে ফিরেছে প্রাণ। নারী দল থেকে পুরুষ জাতীয় দল, ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা এখন আকাশচুম্বী।
বসুন্ধরা কিংসের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, ‘আমার চিন্তা ছিলো যখন দেখলাম মাঠে এত ভালো একটা হাইপ ছিলো কিন্তু আমি খেলতে পারছি না, মাঠে আসতে পারছি না তখন অনেকটাই ভেঙে পড়েছিলাম। আমার সহধর্মিণী আমাকে অনেক সাপোর্ট দিয়েছে। সে না থাকলে আমি হয়তো আরও বেশি ভেঙে পড়তাম।’
তবে নতুন এই সময়টায় দলের সাথে ছিলেন না জাতীয় দলে রক্ষণের অন্যতম ভরসার নাম বিশ্বনাথ ঘোষ। ইনজুরির কালো থাবা তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে প্রায় দুইটি বছর। দীর্ঘ এই সময় বল পায়ে সবুজ গালিচা দাপিয়ে বেড়াতে না পেরে হতাশায় দিন কেটেছে বিশ্বর।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সদস্যদের অভয় আর নিজের দীর্ঘ চেষ্টায় আবারও মাঠে ফিরেছেন বিশ্বনাথ ঘোষ। ক্লাবের হয়ে খেলে ফেলেছেন দুটি ম্যাচও। আর তার মধ্যেই পেয়েছেন সুখবর। মার্চ উইন্ডোর জন্য জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে আছেন বিশ্ব। তবে এখনকার মূল দলে জায়গা করে নিতে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন এই ডিফেন্ডার।
বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, ‘এখন তো ন্যাশনাল টিমে পারফর্ম করতে গেলে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে। আরও অনেক কিছু করতে হবে। তো আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করতে চাই। আমি পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। আমি মুখিয়ে আছি কখন যাবো আর মাঠে ফাইট করবো। নিজেকে ভেঙে আবার গড়বো।’
সোমবার থেকেই ঢাকায় শুরু হবে জাতীয় দলের ক্যাম্প। এরপর দল যাবে সরাসরি ভিয়েতনাম। দলটির সাথে প্রীতি-ম্যাচ খেলে সিঙ্গাপুরের ঘরের মাঠে আতিথ্য নেবেন জামাল ভূঁইয়ারা। মার্চের দুই ম্যাচে জয় নিয়ে আপাতত ফিফা র্যাংকিংয়ে আগানোই মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের।





