গেলো বছর লাল সবুজের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন হামজা-শমিত সোম। তবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা স্কোয়াড নিয়েও হ্যাভিয়ার ক্যাবরেরার কৌশলে আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি বাংলাদেশ। ততক্ষণাৎ কোচ বদলে মাথা না ঘামালেও সাফের আগে সেটা করতে বেশ উঠেপড়ে লেগেছে বাফুফে। ফেডারেশনের কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে বেশ সাড়াও পড়েছে এশিয়া থেকে ইউরোপে।
৮ এপ্রিল বাফুফের ওয়েবসাইট এবং সোশাল মিডিয়ায় কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় বাফুফে। মাত্র ১২ দিনে জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রায় তিনশো জন প্রার্থী। আশার কথা হামজা-শমিত শোমদের কল্যাণে জাতীয় দলের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক দলের কোচ হতেও আগ্রহীর সংখ্যাও কম নয়।
বাফুফের টেকনিক্যাল চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিলটন বলেন, ‘হাই প্রোফাইল কোচ আমাদের এখানে কাজ করতে আগ্রহী হবে কারণে আমাদের এখানে ফুটবল একটা হাইপ ও যে পরিমানে দর্শক রয়েছে সব মিলিয়ে কোচদের আগ্রহ তৈরিতে সেটা প্রভাব রাখে। ’
তবে বিশাল এই ভিড়ের মাঝে যোগ্য কোচকে খুঁজে নিয়ে নিয়োগ দেয়া বাফুফের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন ক্রীড়া বিশ্লেষক আহমদ শায়েক।
ক্রীড়া বিশ্লেষক আহমদ শায়েক বলেন, ‘কোচের জন্য একটা ক্রাইটেরিয়া ঠিক করে যে আমরা কোচ শর্ট লিস্ট করবো সেক্ষেত্রে কোচের কিচু বেসিক রিকুয়ারমেন্টস থাকবে। তাই এখানে দুই পক্ষকে চাওয়া- পাওয়াকে সম্মান দিতে হবে।’
চার বছর ধরে জাতীয় দলের দায়িত্বে আছেন ক্যাবরেরা। তবে ম্যাচের আগে অতিথি পাখির মতো দলের সঙ্গে যোগ দিতেন তিনি। বাকি সময় থাকতেন নিজ দেশ স্পেনে। কোচ নিয়োগের নতুন এই প্রক্রিয়ায় ছোট খাটো বিষয়গুলো চুক্তির আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন কামরুল হাসান হিলটন।
বাফুফের টেকনিক্যাল চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিলটন আরও বলেন, ‘যখন আমাদের ওনাদের সঙ্গে চুক্তি হয় সেক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন শর্ত থাকে এবার হয়তো তবে আমরা এই শর্তগুলো বিবেচনা করবো।’
এদিকে কোচদের সিভি জমা দেয়ার মেয়াদ উল্লেখ করেনি বাফুফে। আগামী মিটিংয়ের আগে সেটা চূড়ান্ত করতে চায় টেকনিক্যাল কমিটি। সেই সাথে সাফের আগেই কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার কথা জানিয়েছে বাফুফে।





