আবুধাবিতে এক পেসার কম নিয়ে খেলার মাশুল দিয়েছে বাংলাদেশ: পাইলট

খালেদ মাসুদ পাইলট
খালেদ মাসুদ পাইলট | ছবি: সংগৃহীত
0

আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পেসারের ঘাটতিতে জয় হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের। উইকেট এবং প্রতিপক্ষ বিবেচনায় তিন স্পিনারের পরিবর্তে একজন পেসার বেশি থাকলে পঞ্চম দিনের আগেই ম্যাচ বের করে আনতে পারতো দল, দাবি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটের।

সাদা পোষাকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এতদিন একটি জয় এবং হারের রেকর্ড ছিল বাংলাদেশের। তবে আবুধাবিতে এবার ড্রয়ের স্বাদটাও পেল শান্ত-লিটনরা। টেস্ট ক্রিকেটের আঙিনায় আফগানিস্তান এখনো এক নবীন নাম। দীর্ঘ ফরম্যাটে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা কিংবা পর্যাপ্ত সুযোগ কোনোটিই নেই তাদের ঝুলিতে।

অথচ সেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আবুধাবিতে চালকের আসনে থেকেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচের পঞ্চম দিনে তিন স্পিনার মিলে ৬৭ ওভার বল করে ৪ উইকেট নেয়। অন্যদিকে ২৬ ওভার বল করেন হাসান মাহমুদ এবং এবাদত হোসেন। বিশেষ করে শেষ দুটি উইকেট নিতে কপালে ঘাম ছুটে যায় টাইগার বোলারদের। এরপরও জয়ের ঝান্ডা উড়াতে পারেনি বাংলাদেশ দল।

নিশ্চিত জয়ের ম্যাচ এভাবে ড্র হওয়ার পেছনে একাদশের ভুল কম্বিনেশনকেই কাঠগড়ায় তুলছেন দেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। তার মতে, আবুধাবির উইকেটে একজন জেনুইন পেসার কম নিয়ে খেলার চরম মাশুলই দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘যে আফগানিস্তানি স্পিন খেলতে পছন্দ করেন, একটু পাকিস্তানি টাইপের প্লেয়ার ম্যাক্সিমাম থাকে যে, তারা শর্টস খেলতে পছন্দ করেন। কিন্তু আফগানিস্তানের প্রচুর স্পিনার আছে, লেগ স্পিনার বলেন, অফ স্পিনার, লেফট হ্যান্ড স্পিনার প্রচুর আছে, গুগলি বোলার তো স্পিন খেলে, ওরা কিন্তু পেস বল স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। তো এখানে আপনি দুইটা পেস বোলার খেলছে বাংলাদেশ, আরেকটা পেস বোলার খেললে খুব ভালো হতো।’

বোলিং পরিকল্পনার এই ঘাটতির সঙ্গে যোগ হয় ফিল্ডারদের ছন্নছাড়া পারফরম্যান্স। সেদিকউল্লাহ অটলের সেঞ্চুরি ভাঙার পর কাইস আহমেদ ও ইয়ামিনদের একের পর এক ক্যাচ মিস আর রানআউটের সুযোগ নষ্ট ম্যাচটিকে বাংলাদেশের হাত থেকে পুরোপুরি কেড়ে নেয়।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘রান আউট মিস হয়েছে, ক্যাচ মিস হয়েছে। তো যতটুকু আমি জানি, এগুলো আসলে বড় টিমের জন্য ভালো সংকেত না।’ 

এই ম্যাচ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হলেও বাংলাদেশ দলের অনেক দুর্বলতা সামনে এসেছে। এসব নিয়ে কাজ করে পরবর্তী ম্যাচে ভালো করার সম্ভাবনা যেন হাতছাড়া না নয় সেদিকে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ সাবেকদের।

এএম