প্রাইজমানির নতুন রেকর্ড (New Record in Prize Pool)
এবারের আসরের জন্য আইসিসি মোট ১৩.৫ মিলিয়ন ডলারের (13.5 Million USD) বিশাল এক প্রাইজ পুল ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৪ সালের আসরের তুলনায় এবার পুরস্কার তহবিলের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি (20% Increase) পেয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের আয় (Earnings of Champion & Runner-up)
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারত পুরস্কার হিসেবে পাচ্ছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে, রানার্সআপ (Runner-up) হয়ে নিউজিল্যান্ড ঘরে তুলছে ১.৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন:
সেমিফাইনাল ও সুপার এইটের প্রাইজমানি (Money for Other Teams)
শুধুমাত্র ফাইনালিস্টরাই নয়, টুর্নামেন্টের বিভিন্ন পর্যায়ে সফল দলগুলোর জন্যও ছিল বড় অংকের টাকা:
সেমিফাইনালিস্ট (Semi-finalists): সেমিতে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রত্যেকে পাচ্ছে ৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার (প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা)।
সুপার এইট (Super Eight): সুপার এইট পর্বে পৌঁছানো প্রতিটি দল পাবে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার (প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা)।
অংশগ্রহণকারী দল: গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ২০টি দলের প্রতিটি পাবে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা)।
একনজরে প্রাইজমানির তালিকা (Prize Money at a Glance)
অবস্থান (Position) ডলার (USD) টাকা (BDT) চ্যাম্পিয়ন (ভারত) ৩ মিলিয়ন ৩৬ কোটি ৩০ লাখ রানার্সআপ (নিউজিল্যান্ড) ১.৬ মিলিয়ন ১৯ কোটি ৩৬ লাখ সেমিফাইনালিস্ট (২ দল) ৭ লাখ ৯০ হাজার ৯ কোটি ৬০ লাখ সুপার এইট ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ





