২০ মাসের মাথায় ক্রিকেট বোর্ড পেলো চতুর্থ সভাপতি। বিসিবির অলিখিত নিয়ম মেনেই রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনে দেখা গেলো নতুন এক মুখ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের ফলে এর আগেও বাংলাদেশ ক্রিকেটে সভাপতির চেয়ারে পরিবর্তন এসেছিল। তবে শেষ চার বোর্ড সভাপতির আগমন যেন ছিলো ধূমকেতুর মতোই।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শুরুতেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ পদে ছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশ ছেড়ে যান তিনি। এরপরেই বিসিবির নিয়মিত এক বৈঠকে ই-মেইলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন পাপন। যার মাধ্যমে দেশের ক্রিকেটে ১২ বছরের পাপন অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
আরও পড়ুন:
একই সময়ে দৃশ্যপটে আসেন ফারুক আহমেদ। এনএসসি থেকে সাবেক দুই পরিচালকের পদ বাতিল করে যুক্ত করা হয় নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং ফারুক আহমেদকে। পরবর্তী ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হন ফারুক। কিন্তু ৯ মাসের মাথায় একাধিক বিতর্কের জেরে পরিচালকদের অনাস্থা ভোটে সরে যেতে হয় তাকে।
চার মাসের টি-টোয়েন্টি খেলার প্রত্যয় নিয়ে বিসিবিতে এসেছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে বসেছিলেন বিসিবির হটসিটে। যদিও নানাবিধ কর্মকাণ্ডে বিতর্কিতই থেকে গিয়েছে বিগত সময়ের ক্রিকেট বোর্ড। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ১০ মাসের মাথায় বিদায় নিতে হলো তাকেও।
নতুন করে আপাতত বিসিবির শীর্ষকর্তা তামিম ইকবাল। তিন মাসের দায়িত্ব নিয়েই মিরপুরে গিয়েছেন সাবেক এ ওপেনার। তবে নির্বাচন শেষে তিনিই থাকবেন নাকি নতুন কাউকে দেখা যাবে বিসিবির হটসিটে, সেটা সময়ই বলে দেবে।





