মাত্র দুই দিনেই ম্যাকাই টেস্টে নাস্তানাবুদ হলো বাংলাদেশ। তবে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা বা শোচনীয় পরাজয় নিয়ে না ভেবে, অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ইতিবাচক দিকগুলোতে নজর রাখতে চান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কঠিন কন্ডিশনে মাইটি অজিদের বিপক্ষে ক্রিকেটের রাজকীয় ফরম্যাটে জয় পাওয়া, টেস্ট র্যাংকিংয়ে প্রথমবারের মতো ৬-এ উঠে আসাকে সিরিজের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন তিনি।
রোববার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত জানান, টসটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ব্যাটিংয়ের জন্য শুরু থেকেই কঠিন ছিল উইকেট। ব্যাটাররা কিছু বাজে শট খেললেও কাউকে আলাদাভাবে দায়ী করতে চান না তিনি। দলের সবাই নিজেদের সেরা চেষ্টাটাই করেছে বলে দাবি শান্তর।
অধিনায়ক নাজমুল শান্ত বলেন, ‘আমি কারও ওপরে আঙুল তুলতে চাই না। কারণ, অ্যাজ এ টিম হিসেবে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি, ভালো ব্যাটিং করিনি। আমি আমার কথা বলতে পারি, আমি সেট হয়ে যে সময় আউট হয়েছি এটা অ্যাকসেপ্টেবল না, টু বি ভেরি অনেস্ট। আমার আরেকটু লম্বা করা উচিত ছিল। বাট, আমার মনে হয় সবাই এই জায়গায় খুব ভালোভাবে চেষ্টা করেছে। একটা জিনিস বুঝতে হবে, যেটা আমি একটু আগে বললাম যে, এরকম বোলিং অ্যাটাক, এরকম কন্ডিশনে আমরা খেলিই না।’
দুই দিনেই ৩০ উইকেট পড়লেও উইকেটের মান নিয়ে তেমন কোনো কথা হচ্ছে না বলেও মনে করেন টাইগার অধিনায়ক। উপমহাদেশে খেলার সময় উইকেট নিয়ে একটু বেশিই সমালোচনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অধিনায়ক নাজমুল শান্ত বলেন, ‘যখন নরমালি আমরা সাবকন্টিনেন্টে খেলি, এক দিনে ১৮-১৯ উইকেট পড়লে অনেক কথাবার্তা হয়। সবাই বলে, সো প্রথম দিনে ১৮ উইকেট পড়েছিল। এটাও একটু সবার বুঝতে হবে। শুধু যদি এমন হতো আমাদের পড়েছে ওদের পড়ে নাই, তাহলে আমি বুঝতাম। বাট, আমি বলব যে কঠিন ছিল চ্যালেঞ্জ। এরকম চ্যালেঞ্জ থাকবে, অ্যাজ এ ব্যাটসম্যান আমাদেরকে এটাও একসেপ্ট করে নিতে হবে। আর একটা জিনিস বলতে চাই যে, যখন আমরা সাবকন্টিনেন্টে খেলব, তখন যেন এই জিনিসগুলো আমরা ভুলে না যাই।’
এই হারের মধ্য দিয়ে শান্তরা বুঝতে পেরেছেন, ডারউইনের জয়টা আসলে কত বড় প্রাপ্তি ছিল। বহু বছর পর পর এসে এমন কন্ডিশনে বড় বড় দলের বিপক্ষে পারফর্ম করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তাই ভবিষ্যতে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো কন্ডিশনে আরও খেলার সুযোগ চান তিনি। কঠিন উইকেটে কীভাবে ভালো ব্যাটিং, বোলিং করতে হয়, এই অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত।





