জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের স্টেডিয়াম চুক্তিতে বাফুফের কাছে হস্তান্তর হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আমিনুল হক
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আমিনুল হক | ছবি: সংগৃহীত
0

জাতীয় দলের নারীদের পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও বেতনের আওতায় আনবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর বাফুফের সঙ্গে প্রথম পরিচিতি পর্বে এমনটাই জানিয়েছেন আমিনুল হক। এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ চুক্তির মাধ্যমে কমলাপুর, সিলেট ও কক্সবাজার স্টেডিয়াম বাফুফেকে বুঝিয়ে দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাবার পর ব্যস্ত সময় পার করছেন আমিনুল হক। সোমবার সকল ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বসার পর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে আলাদা করে পরিচয় পর্ব সেড়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন আমিনুল হক নিজেই। ফুটবলে সফলতার প্রশংসা করে ফুটবল নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দিয়েছেন  বেশকিছু সুখবর। 

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ফুটবলের মাঠের সংখ্যা গ্রামীণ পর্যায়ে অনেক থাকলেও স্পেসিফিকভাবে ফিফার অনুদানে ফুটবল ফেডারেশন আমাদের কাছে কিছু মাঠ বরাদ্দ চেয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে তিনটি মাঠ ফুটবল ফেডারেশন কাছে চুক্তি মাধ্যমে হস্তান্তর করব। সে মাঠগুলো হচ্ছে কমলাপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয়পর্বে ফলপ্রসূ আলোচনা নিয়ে খুশি বাফুফে। মাঠগুলো পাওয়ার পর কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেসব জানিয়েছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।

আরও পড়ুন:

বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা আমাদের প্ল্যানটাকে রিএলাইন করব, আমরা প্ল্যান চেঞ্জ করব, যেন মন্ত্রণালয়, এনএসি ও ফুটবল ফেডারেশন তিনটি যেন এক প্ল্যানে থাকে। এতে সমন্বয়টা ভালো মতো হবে এবং ইমপ্লিমেন্টেশনটাও ভালো মতো হবে।’

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম আন্তর্জাতিক ফুটবলের জন্য একমাত্র ভরসা। তবে দেখা যায়, হামজা চৌধুরীদের ম্যাচে স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা ফুটবল ভক্তদের জন্য নিতান্তই কম। বড় স্টেডিয়াম নিয়ে এখনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা না হলেও বাফুফে আশা করছে শিগগিরই ফুটবলে বড় একটি স্টেডিয়াম পাবে বাংলাদেশ।

বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘আসলে মাঠে সারা বছর খেলা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা যদি তিনটা নতুন মাঠ পাই, তখন আমাদের দায়িত্ব হবে সারা বছর খেলা রাখা এবং আমাদের সে পরিমাণে এনাফ খেলা রয়েছে। আমরা মোট আটটি মাঠ চিহ্নিত করেছিলাম, সেখান থেকে বাছাই করে তিনটি দেয়া হচ্ছে আমাদেরকে, যা কি না ফুটবলের জন্য খুব ভালো সংবাদ। এই মাঠ পাওয়ার পর আমরা ভালো মতো কাজ করলে আমি বিশ্বাস করি, আগামীতেও আরও মাঠ বরাদ্দ করা হবে।’

নারী ফুটবলে উত্তরোত্তর সাফল্য, পুরুষদের ফুটবলে আশার সঞ্চার। সাবেক ফুটবলার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বের পর ফুটবল ফেডারেশনও দেখছে স্বপ্ন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ফুটবল সাফল্যের দেখা পাবে।

এএম