বিশ্ব ফুটবলের একটি ঐতিহাসিক যুগের অবসান। ২০১৬ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর অর্জন, সাফল্য, না পাওয়ার হতাশা সবই ছিলো এক দশকের এক লম্বা যাত্রায় পেপ গার্দিওলার। অসংখ্য ট্রফি আর ইংলিশ ফুটবলে আধিপত্যের এক যুগের অবসান হলো পেপ গার্দিওলার বিদায়ে।
বিদায় কখনই সুখের নয়। সেটা যদি হয় দীর্ঘদিনের ক্লাবের হার দিয়ে, সেটা আরও আক্ষেপ আর যন্ত্রণার।
প্রিমিয়ার লিগে বিদায়ী ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার কাছে ২-১ গোলে শিষ্যদের হার। তবে একজন পেশাদার কোচ হিসেবে সে কষ্ট লুকানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেলেন নিজের প্রিয় ক্লাবের বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে। একের পর এক প্রশ্ন হাসিমুখে সামাল দিয়েছেন পেপ গার্দিওলা।
আরও পড়ুন:
কোচ হিসেবে বেশ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার উপহার দিয়েছেন সমর্থকদের। গত ১০ মৌসুমে ২০ শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি। ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ এবং ক্লাবের ইতিহাসে একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়ে সিটিজেনরা।
২০২২-২৩ মৌসুমে ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের উল্লাস। এছাড়া ম্যান সিটির হয়ে ৩ হাজার ৬৫১ দিনে ৫৯৩ ম্যাচের মধ্যে ৪২৩ বার সাফল্য পেয়েছেন গার্দিওলা। এ সময়কালে নিজের কৌশলে সাফল্য পেতে ১১১ জন খেলোয়াড়কে মাঠে নামিয়েছেন তিনি।
তবে ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ার ঘোষণার পর ফুটবল ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন, নিজের কোচিং ক্যারিয়ারেরও কি ইতি টানছেন পেপ গার্দিওলা? এ বিষয়ে জবাব দিতে হিয়ে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ম্যানেজার হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টিও রেখেছেন রহস্যে।





