জাতীয় দলের পর বয়সভিত্তিক দলেও সাফের গণ্ডি পেরিয়ে এবার লক্ষ্য এশিয়ার মূল মঞ্চ। তবে তার আগে পার করতে হবে বাছাইপর্বের বাধা। অনূর্ধ্ব ২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত খেলোয়াড়দের দলে ভিড়িয়ে শক্তিশালী করতে কাজ করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
উজবেকিস্তানের কঠিন কন্ডিশনে গ্রুপ ‘বি’-এর বৈতরণী পার হতে ইংল্যান্ড থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে দুই প্রতিভাবান প্রবাসী ফুটবলারকে, তাদের একজন অ্যাডাম আব্বাস।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অ্যাকাডেমিতে বেড়ে ওঠা ১৮ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড বার্নলি অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন। উইং কিংবা স্ট্রাইকার পজিশনে তার গতি প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে ত্রাস ছড়াতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে, রক্ষণভাগ সামলাবেন ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার লন্ডন প্রবাসী সেন্টারব্যাক জিদান ইউসুফ। তিনি খেলছেন ওয়াল্টন অ্যান্ড হের্শাম এফসির মূল দলে।
আরও পড়ুন:
বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, ‘অ্যাডাম আব্বাসসহ ৫ জন থাকছে। এরা সবাই বেশ ভালো খেলোয়াড়। এখন এদের মধ্যে ২৩ জনের দলে কে কে থাকবে, সেটা আমাদের হেড কোচ এবং টেকনিক্যাল স্টাফরা ঠিক করবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ওখানে হয়তো ২ থেকে ৩ জন বাংলাদেশি যারা বাইরে থাকেন, তারা এসে আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড থেকে।’
শুধু কাগজ-কলমেই নয়, মাঠের প্রস্তুতিতেও কোনো কমতি রাখছে না বাফুফে। যশোরের শামস-উল-হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে চলছে আবাসিক ক্যাম্প। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে থাইল্যান্ডে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-২৩ এর জন্য আমরা থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আমিরাতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে একটা প্রীতি ম্যাচ খেলবো।’
৩১শে আগস্ট স্বাগতিক উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের মিশন। এরপর প্রতিপক্ষ সিরিয়া ও ভারত। প্রবাসী তারকাদের নিয়ে গড়া এই দলটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর প্রত্যাশা পূরণ করে মূল পর্বের টিকিট ছিনিয়ে আনবে এমনটাই প্রত্যাশা ফুটবল সংশ্লিষ্টদের।





