মরক্কো থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর। রোববার দুপুরে ঢাকায় পৌঁছান বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার প্রধান। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ছুটে যান বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বাফুফের চার সহ-সভাপতিসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা।
অনানুষ্ঠানিক এই সাক্ষাতে ফিফার সঙ্গে ভবিষ্যতে কী কী বিষয়ে আরও কাজ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছে বাফুফে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিরতি কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে ইউরোপে আরও বেশি ম্যাচ খেলা যাবে, সে বিষয়েও ফিফা সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বাফুফে প্রধান তাবিথ আউয়াল।
তিনি বলেন, ‘আমরা ডিসকাস করছি মূলত যে ফিউচারে ফিফার সঙ্গে বাংলাদেশ আরও কীভাবে কাজ করতে পারে। ফিফা প্রেসিডেন্ট জানতে চেয়েছিল যে আমাদের ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার এক্সপেরিয়েন্সটা কেমন ছিল, এরকম টুর্নামেন্ট আরও আয়োজন করলে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবেন কি না। তো আমরা বলেছিলাম যে আমরা অনেক আরও ইউরোপিয়ান দেশে খেলতে চাই, ইউরোপেও আমরা খেলতে চাই। তো সেই নিয়ে কথা হয়েছে কীভাবে আমরা ফিফা উইন্ডোটাকে ওপেন করতে পারি যেন অন্য কনফেডারেশনগুলা একে অপরের সঙ্গে আবার খেলতে পারে।’
আরও পড়ুন:
ফিফা ফরওয়ার্ড প্রোগ্রামের আওতায় শিগগিরই বেশ কিছু কাজ শুরু করবে বাফুফে। ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ উদ্বোধনে ফিফা সভাপতিকে দেশে আনার পরিকল্পনাও জানান তাবিথ আউয়াল।
তিনি বলেন, ‘ফিফার থেকে যে ফরওয়ার্ড প্রোগ্রামের আওতায় যে টাকাগুলা, ডলারগুলা এখনো খরচ হয় নাই বা প্রজেক্টগুলি রেডি হচ্ছে হওয়ার জন্য, সেটার একটু গতি পেলে ফিফা প্রেসিডেন্ট অফিশিয়ালি তখন আসতে চায় প্রজেক্টগুলাকে ওপেন করার জন্য। আমি উনাকে ইনফর্ম করেছি যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব অলরেডি আমাদেরকে ১৫ একর জমি বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছে। স্পোর্টস মিনিস্ট্রি থেকে আমরা দুটি স্টেডিয়াম এখন পেয়েছি যেটাকে আমরা ম্যানেজ করবো। এইসব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে আমরা ফরওয়ার্ড প্রোগ্রামের ফান্ডটাকে ইউজ করবো। তো আশা করি আগামী বছরের আগেই কিন্তু আমরা একটা ভালো উদ্বোধক দেখাতে পারবো, যেটায় কিন্তুক ফিফা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে আসবে।’
সম্প্রতি ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। বিষয়টি ফিফার নজরে এনে ভবিষ্যতে আরও বেশি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা বাফুফের।
তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘ফিফার থেকে আমরা আরও অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবো, বিকজ এক্সাইটমেন্টটা এখন তৈরি হয়ে গিয়েছে। আমরা আমাদের ন্যাশনাল ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট লিগ নিয়ে কথা বলেছিলাম, টুর্নামেন্ট নিয়ে। আমরা অনূর্ধ্ব-১৫, ১৬, ১৯ নিয়ে কথা বলেছিলাম। আমরা এই যে ওয়ার্ল্ড কাপ ফেস্টিভলে যোগদান দিচ্ছি সে নিয়ে কথা বলেছিলাম। সো বাংলাদেশ প্রতিটি ফিফা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করছে। সেটাকে প্রমাণ করে ফিফার কাছে অ্যাটলিস্ট যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত সিরিয়াস অ্যান্ড বাংলাদেশ সরকার খুবই প্যাশনেট এই ফুটবলের পেছনে।’
ভুটান থেকে ফেরার পথে আবারও ঢাকায় যাত্রা বিরতি করবেন ইনফান্তিনো। এরপর এএফসির কংগ্রেসে যোগ দিতে জাপান যাবেন তিনি।




