বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস আর জাপান, তখন রোমাঞ্চের প্রত্যাশা ছিলই। আর সেই প্রত্যাশার পুরোটা পূরণ করে ফুটবল প্রেমীদের দারুণ এক উপহার দিল দুই দল।
শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে নেদারল্যান্ডস। নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একের পর এক আক্রমণ সাজায় ডাচরা। তবে জাপানও ছিল সমান তালে জবাব দিতে প্রস্তুত। দ্রুত গতি, নিখুঁত পাসিং আর দুর্দান্ত টিমওয়ার্কে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে ব্লু সামুরাইরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫১ মিনিটে ভার্জিল ভ্যান ডাইকের ১ম গোলের পর ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ৫ মিনিট পরেই নাকামুরার দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফিরে জাপান। গ্যালারিতে তখন উচ্ছ্বাস আর উদ্বেগের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এরপর ম্যাচ পায় নতুন মাত্রা। নেদারল্যান্ডস আবারও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু জাপানের দৃঢ়তা ছিল প্রশংসনীয়। আক্রমণে যেমন ছিল ধার, তেমনি রক্ষণেও ছিল শৃঙ্খলা। শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য সর্বশক্তি উজাড় করে দেয়।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া সামারভিলের গোলে জয়ের স্বপ্ন বুনতে থাকে ডাচ বাহিনী। কিন্তু ম্যাচের ৮৯ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে ডাচদের জয় বঞ্চিত করেন দাইচি কামাদা।
কখনও গোলরক্ষকের অসাধারণ সেভ, কখনও ডিফেন্ডারের সময়োপযোগী ট্যাকল সব মিলিয়ে ম্যাচের পুরো সময়টা ছিল শ্বাসরুদ্ধকর। বিশ্বকাপের মঞ্চে রোমাঞ্চকর এই ড্রয়ের পর গ্রুপের হিসাব-নিকাশ আরও জমে উঠেছে। পরের ম্যাচে কে এগিয়ে যাওয়ার দৌড়ে পায় বাড়তি সুবিধা সে অপেক্ষায় ফুটবল প্রেমীরা।





