
‘বিজয়ের’ মোড়কে চুক্তির কথা প্রচার করছে ইরান, নেপথ্যে অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত হতে যাওয়া সমঝোতা স্মারকটিকে (এমওইউ) একটি বড় ‘বিজয়’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ইরানের সরকার। তারা বোঝাতে চাইছে, এটি পশ্চিমাদের কাছে আত্মসমর্পণ নয়, বরং দীর্ঘ প্রতিরোধের ফসল। কিন্তু দেশের ভেতরে এই যুক্তি প্রতিষ্ঠিত করা খুব একটা সহজ হচ্ছে না। কারণ, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও চরম অর্থনৈতিক চাপে থাকা একটি দেশের সাধারণ মানুষ এবং কট্টরপন্থি নেতাদের প্রত্যাশা ভিন্ন ভিন্ন। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির খসড়া: পরমাণু অস্ত্র না বানানোর প্রতিশ্রুতি তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের চূড়ান্ত খসড়ায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়াসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা জানান, দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পর পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হবে। রয়টার্সের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি: ঐকমত্যের পথে বাধা এখনো কাটেনি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নিজ দেশের জনমতকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এই চুক্তিকে তিনি ইরানের বড় বিজয় হিসেবে তুলে ধরছেন। যদিও এর বিস্তারিত খুঁটিনাটি এখনো পুরোপুরি প্রকাশ করেননি তিনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে মানতে হবে কড়া শর্ত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘পারফরম্যান্স-ভিত্তিক’ বা শর্তসাপেক্ষ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইরান। হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শুক্রবার আনাদোলু সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, এই চুক্তির আওতায় কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে তেহরানকে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে। আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ট্রাম্পের অস্থির পররাষ্ট্রনীতি; নিজের তৈরি সংকটে দিশেহারা ওয়াশিংটন
গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি যেন এক অনিশ্চিত গোলকধাঁধা। গত কয়েক দিনে তার একের পর এক পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তই তার প্রমাণ। গত সপ্তাহান্তে তিনি যেখানে ইরানকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে বলে হুঙ্কার দিচ্ছিলেন, গতকাল (মঙ্গলবার, ৫ মে) সেখানেই ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এক মানবিক উদ্ধার অভিযানের ঘোষণা দিলেন। আর আজ (বুধবার, ৬ মে) সকালে শোনা গেল ভিন্ন কথা—ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে ‘ব্যাপক অগ্রগতি’র কথা জানিয়ে সেই অভিযানই স্থগিত করে দিলেন ট্রাম্প। গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানে ক্ষমতা বাড়ছে রেভল্যুশনারি গার্ডের; সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্ব হারাচ্ছেন সুপ্রিম লিডার: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দুই মাস পার হওয়ার পর ইরানের শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর ফলে দেশটির ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতার চিরাচরিত ভূমিকা অনেকটা সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘ভদ্র সাজার দিন শেষ!’ ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি, যার পটভূমিতে রয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের দৃশ্য। ছবির ওপর বড় অক্ষরে ক্যাপশন লেখা—‘ভদ্র সাজার দিন শেষ!’ (নো মোর মিস্টার নাইস গাই!)। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পরমাণু চুক্তির মূল নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দাবি ইরান
জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি এবং পরমাণু চুক্তির মূল নীতিতে সমঝোতার দাবি করেছে ইরান। তবে ট্রাম্পের বেধে দেয়া সব ‘রেড লাইনে’ সম্মতি দেয়নি তেহরান, অভিযোগ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। যদিও জোর করে ইসলামী শাসনতন্ত্রের পতন ঘটানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির তথ্য প্রকাশ, অস্বস্তিতে যুক্তরাষ্ট্র
পরমাণু চুক্তির বিষয়ে অবশেষে ইরানকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলো যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (৩১ মে) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে ওয়াশিংটন।

পরমাণু চুক্তিতে ইরানকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
পরমাণু চুক্তির বিষয়ে অবশেষে ইরানকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলো যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল (শনিবার, ৩১ মে) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবের বিষয়টি স্বীকার করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, এই প্রথম পরমাণু ইস্যুতে তেহরানকে পূর্ণাঙ্গ কোনো প্রস্তাব পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে যথাসময়ে এর জবাব দেয়ার কথাও জানান তিনি।

পরমাণু ইস্যুতে তৃতীয় দফা আলোচনায় আগ্রহী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় দফার সফল আলোচনার পর এবার পরমাণু ইস্যুতে তৃতীয় দফায় বসতে চায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইতালির রোমে আলোচনার পর পরমাণু চুক্তি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছে দুই পক্ষই। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন এখনই অনেক বেশি আশাবাদী হওয়ার কারণ নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, টানেলের শেষ প্রান্তে আশার আলো আছে কি না, তা আগামী সপ্তাহেও নিশ্চিত হয়ে বলা যাবে না। কিন্তু কোনো কারণে আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে হামলা হবে। তাদের মত, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী না থাকায় হামলা আতঙ্কেই আলোচনা আর চুক্তির জন্য এত শ্রম দিচ্ছে তেহরান।

ইরানকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি ট্রাম্পের
পরমাণু চুক্তিতে সম্মত না হলে ইরানকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকি দিয়েছেন পরোক্ষ শুল্ক আরোপেরও।