কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। ডব্লিউএইচও-এর সর্বশেষ তথ্যমতে, কঙ্গোতে মোট ৯০৬ জন সন্দেহভাজন রয়েছে। তাদের মধ্যে ২২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে মোট ১৩৪ নিশ্চিত রোগী শনাক্তের মধ্যে উগান্ডায় ৯ এবং নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে কঙ্গোতে নারীরা ইবোলায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গ্যাব্রিয়াসিস বলেন, ইবোলায় মৃত ব্যক্তির দেহ স্পর্শ করলে ভাইরাসটি আরও দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে। আমরা যাদের হারিয়েছি তাদের জন্য শোক করার পাশাপাশি, চেষ্টা করতে হবে যাতে আমরা আর কাউকে না হারাই। একে অপরকে রক্ষা করা আমাদের সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
আরও পড়ুন:
রয়টার্স বলছে, ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি সন্দেহভাজন ইবোলা আক্রান্তের ঘটনার তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া একজন মার্কিন নাগরিকের ইবোলা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি কঙ্গোতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।
আরেকদিকে, ডব্লিউএইচওর প্রধান গত শনিবার কঙ্গো সফর করেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে জানান তিনি। তার মতে, দেশটিতে প্রতিদিন নতুন সন্দেহভাজন রোগীর খবর পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত শত শত রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, কঙ্গোতে চলমান সংঘাত এবং সীমান্ত ও বিমানবন্দর বন্ধ থাকার কারণে ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় কিছু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রথায় মৃতদেহ স্পর্শ করার নিয়ম থাকায় সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তির শরীরের রক্ত, ঘাম ইত্যাদি তরল থেকে এই রোগ ছড়ায়।





