ঈদ ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে নাটোরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানাগুলোয়

নাটোরের গার্মেন্টস কারখানা
নাটোরের গার্মেন্টস কারখানা | ছবি: এখন টিভি
0

নাটোরে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। ঈদ ঘিরে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জন্য তৈরি পোশাক যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ শিল্পের কারণে কারণে সুযোগ হয়েছে অনেকের। তবে, ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের সুবিধা চান গার্মেন্টস মালিকরা।

উত্তরের জেলা নাটোর মূলত কৃষিপ্রধান অঞ্চল। যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থাকলেও এ জেলায় তেমন কোনো কর্মসংস্থানমূলক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এ কারণে সেভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়নি।

তবে সম্প্রতি নাটোর শহরের কালুর মোড়ে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানাগুলো আলো দেখাচ্ছে। এসব কারখানায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের পোশাক।

আরও পড়ুন:

সারা দেশেই রয়েছে স্বল্প দামের এসব পোশাকের চাহিদা। ঈদে নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে কারখানাগুলোতে। দিন রাত কাজ করছেন কারিগরেরা। কারখানা শ্রমিকরা জানান, কারখানাগুলোয় বিভিন্ন দামের পোশাক তৈরি হয়। তাছাড়া আয় করার জন্য ও ভালো মাধ্যম।

নাটোর শহরের আশপাশে ছোট বড় মিলিয়ে ৫ থেকে ৬টি ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় প্রতিদিন কয়েক হাজার পিস পোশাক উৎপাদন হচ্ছে। দাম নাগালের মধ্যে থাকায় চাহিদাও অনেক। নাটোরে তৈরি এসব পোশাক যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়।

এদিকে, এ শিল্পের কারণে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে অনেকের। ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের সুবিধা চান মালিকরা। সরকারিভাবে যদি ঋণ পাওয়া যায় তাহলে এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার কথা জানান কারখানা মালিকরা।

রাজনৈতিক অস্থিরতায় বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা পোহাতে হয়েছে ক্ষুদ্র এসব গার্মেন্টস মালিকদের। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা প্রসারের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন তারা।

জেআর