জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির আদলে দেশজুড়ে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে দিনাজপুরে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি পুনঃখনন করা হবে। বন্যার কারণে প্রতিবছর অনেক বেশি ক্ষতির মুখে পরেত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
খালটি খনন হলে এলাকায় সেচের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। কৃষকরা বেশি জমিতে চাষ করতে পারবে এবং উৎপাদনও বাড়বে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এ খালটি পুনঃখনন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
খালটি খনন সম্পন্ন হলে ওই অঞ্চলের প্রায় ৬ হাজার বিঘা জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ বলেন, ‘জলাবদ্ধতা বা বর্ষা শেষে পানি পাওয়া যায় না। এ জন্য আমরা খালটি খনন করবো। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষা মৌসুমে যেন পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমেও যেন ফসল আবাদ করতে পারে কৃষকরা।’
এদিকে খালটি পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সারা দেশে একযোগে এ কর্মসূচি চলবে।’
খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।





