এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন জেলা জামে মসজিদের খতিব সিবগাতুল্লাহ নূর।
জামাতে নামাজ আদায় করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জোনায়েদ হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আরও পড়ুন:
সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিলম্ব হওয়ার কোনো কারণ নেই, বিএনপি জনগণের রায়ের ওপর বিশ্বাসী। আমরা সরকার গঠন করেছি, দায়িত্ব নিয়েছি। ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে যাব। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে পৌরসভাগুলোতে অনেকদিন ধরে সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বে ছিলেন। আপাতত আমাদের দলীয় যারা আছেন, তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এই কাঠামোগুলো চালু রাখার জন্য। আমরা সহসাই নির্বাচনে যাবো।’
তিনি বলেন, ‘জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগে দলীয়করণ করা হয়েছে- এটা ঠিক না। জাতীয় নির্বাচনে জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। সেজন্যই স্থানীয় সরকারের যে কাঠামোগুলো, সেগুলোতে আমরা আপাতত তাদের দায়িত্ব দিয়েছি। এটা দলীয়করণ ঠিক না। জনগণ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থারই আমরা প্রতিফলন করে যাচ্ছি।’





