আইজা কুষ্টিয়া শহরের রেনউক মোড় এলাকার মমিনের মেয়ে। আর ইব্রাহিমের বাড়ি জেলার দৌলতপুর উপজেলায়।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক এ এইস এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চার দিন ধরে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। অন্যদিকে শিশু ইব্রাহিম নামে হামের উপসর্গ নিয়ে শুক্রবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে সে মারা যায়।’
এ নিয়ে এ জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো চারজনে।
আরও পড়ুন:
জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, জেলায় এ পর্যন্ত তিনশোর অধিক শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। বর্তমানে ১৩০ জনেরও অধিক শিশু জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘হামের টিকা পর্যাপ্তভাবে পাওয়া যায়নি। সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতার ঘাটতি এবং বাইরের জেলায় কাজ করা মানুষদের ফেরার কারণে সংক্রমণ বাড়ছে।’
তিনি বলেন, ‘জেলায় হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য সব হাসপাতালে আলাদা “হাম আইসোলেশন কর্নার” খোলা হয়েছে এবং টিকা হাতে পাওয়া মাত্র দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’





