২০২৫ সালের প্রথম দিকে নগরীতে এ ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর টানা কাজ করার পর সেটি এখন প্রায় শেষ। শুরুতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে। ড্রেন নির্মাণের আগে এবং কাজ চলাকালীন সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন সড়কগুলোতে পানি জমে যেত, ব্যাহত হতো স্বাভাবিক জনজীবন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।
সম্প্রতি ড্রেন নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় এর সুফল মিলতে শুরু করেছে। টানা দুদিনের ভারী বর্ষণেও শহরের প্রধান সড়কগুলোতে কোনো ধরনের জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি। ফলে নগরবাসী এখন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন, নেই আগের মতো দুর্ভোগ।
বর্তমানে ড্রেনের পাশাপাশি ফুটপাতে টাইলস বসানোর কাজও চলছে, যা নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পথচারীদের চলাচল আরও আরামদায়ক করে তুলবে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আসগর হোসেন জানান, নগরীর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ গভীর ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও এর সুফল এখন স্পষ্ট।
তিনি বলেন, ‘কাজ চলাকালীন কিছুটা সাময়িক ভোগান্তি ছিল, তবে সেটি এখন ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে। ভবিষ্যতে ভারী বর্ষণেও যাতে নগরবাসী জলাবদ্ধতার সমস্যায় না পড়েন, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।’
নগরবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নারায়ণগঞ্জ আরও আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হবে।





