প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে হঠাৎ করেই কারখানাটির ভেতর থেকে আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে বরগুনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে তারা ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারখানার ভেতরে থাকা মালামাল ও যন্ত্রপাতির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
আরও পড়ুন:
এদিকে জনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় এমন একটি অবৈধ কারখানা পরিচালনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এলাকাবাসী জানান, গত বছরও একই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। বারবার এমন দুর্ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আবাসিক এলাকার ভেতর কীভাবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন অবৈধ আইসক্রিম কারখানা ও গোডাউন বছরের পর বছর চলছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই আজ আমাদের জানমালের ঝুঁকি বাড়ছে।’





