প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জানান, সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য জাপান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান দেশটির কৃষিমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি দুই দেশের মধ্যে ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ দূত বাংলাদেশে জাপানি খাদ্যপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপান দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু।’
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এ লক্ষ্যে কৃষিখাত, ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইল খাতে জাপানের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী জাপানে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সেবা ও কৃষিখাতে দক্ষ জনবল পাঠানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। জাপানি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।
বৈঠকে জাপানের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, মেট্রোরেল প্রকল্প এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে জাপানি পক্ষ গুরুত্বারোপ করে। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
একইসঙ্গে জাপানি প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ১৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদানের কথা জানায়। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ওপর জোর দেন বলেও জানান জাহিদুল ইসলাম রনি।
এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুবিধাজনক সময়ে জাপানে সরকারি সফরের আশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি।





