বিজিবি সূত্র জানায়, ২০২৫-২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মায়ান যায় আরাকান আর্মি।
এ ঘটনার পর মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কক্সবাজার রিজিয়নের বিজিবি আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় শুরু করে। দীর্ঘ আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর আটক জেলেদের ধাপে ধাপে দেশে ফেরানোর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়।
আরও পড়ুন:
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্য রেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে ১৪ জন জেলেকে গ্রহণ করে দেশে ফিরিয়ে আনে। বর্তমানে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবিলায় বিজিবির পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমেই আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, অবশিষ্ট আটক জেলেদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।





