নিহত আরিফ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বড়শিলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আবু সাঈদের ছেলে এবং পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আট দিন আগে আরিফ নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মরদেহ যমুনা নদীতে ফেলে দিয়েছে।
টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, ঘটনার তদন্তে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। জবানবন্দীতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী থেকে আরিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।





