টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে গত ৩ দিন সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, বৌলাই ও রক্তিনদীর পানি বাড়লেও শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে। এছাড়াও কমেছে সীমান্তবর্তী নদ-নদীর পানি। তবে, পানি কমলেও এখনও জেলায় বন্যার শঙ্কা কাটেনি।
বন্যার শঙ্কা থাকায় পৌরসভার সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে দুর্যোগ মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন:
মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি চাঁদনীঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে, শেরপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার নিচে কুশিয়ারা নদীর পানি। এছাড়া, কমতে শুরু করেছে ধলাই ও জুড়ি নদীর পানি। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। নষ্ট হয়েছে আমন, আউশ, সবজি, মাছসহ নানা ফসল।
জেলা প্রশাসন ৭ উপজেলায় ৯০ মেট্রিকটন জিআর চাল, শুকনো খাবার ও নগদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও, ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন বন্যা দুর্গতদের অনেকে।
অন্যদিকে, হবিগঞ্জেও ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি। বিভিন্ন এলাকার ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে ফিরছে মানুষ। তবে, অনেক বাড়িতেই এখনও কাদা ও ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে।




