এতে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন হবে। তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় জলকপাট খোলার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বর্তমানে দেশের একমাত্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। পানি বাড়লেই স্বাভাবিকভাবেই নিয়ম করে পানি ছাড়ার উদ্যোগ নিয়ে থাকেন কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন
কাপ্তাই হ্রদে পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল (মীন সী লেভল)। আজ (শুক্রবার, ১৭ জুলাই) সকাল নয়টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ ছিল ১০৪ দশকি ১ ফুট এমএসএল। কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৈনিক সর্বোচ্চ ২৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যার পুরোটাই যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রীডে।
আকস্মিকভাবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের উজানে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় বন্যা দেখা দেয়। এরই মধ্যেই লংগদু, নানিয়ারচর, বরকল, জুরাছড়ি ও রাঙামাটি পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় দ্রুত পানির স্তর কমাতে উদ্যোগ নেন বাঁধ কর্তৃপক্ষ।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন ‘প্রাথমিকভাবে স্পিলওয়ের ১৬ টি জলকপাট দিয়ে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত, লেকের পানির উচ্চতা এবং উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ (ইনফ্লো) অনুযায়ী জলকপাট খোলার সময় ও পানির পরিমাণ পরিবর্তন হতে পারে। প্রয়োজনে পর্যায়ক্রমে আরও বেশি জলকপাট খুলে পানি ছাড়া হবে।’
এসময় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন এ প্রকৌশলী।





