গতকাল (বুধবার, ২৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দক্ষিণ রামনা গ্রামে পরিবারের লোকজন বাড়ির পেছনের একটি লেবুগাছের নিচে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ৬ বছর বয়সী বড় ভাই রবিউলের সঙ্গে পাশেই তাদের দাদার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায় ছোট্ট মাকসুদা। পড়াশোনা শেষে একসঙ্গে ভাই একা বাড়ি ফিরে আসলেও মাকসুদা আর ফেরেনি। দীর্ঘ সময় ধরে শিশুটির সন্ধান না পেয়ে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পেছনের লেবুবাগানে মাকসুদার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্বজনরা বামনা থানা পুলিশকে খবর দেন।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য ময়নাতদন্তের উদ্দেশে মরদেহটি বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।





