নিহত সুমাইয়া আক্তার শ্যামলী (২৫) বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া (সুতারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং দুই সন্তানের জননী। তিনি স্থানীয় সিরাজুল ইসলামের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান জোরপূর্বক শ্যামলীর বাবার বাড়িতে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তিনি শ্যামলীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে লাইটারের সাহায্যে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ। শ্যামলীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় শ্যামলীকে প্রথমে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে পথে তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ আবার দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, নিহতের সঙ্গে অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমানের প্রায় দুই মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তিনি রংপুর মহানগরের কোতোয়ালি থানার লালবাগ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বিরল উপজেলার দোগাছী (বুধারপাড়া) গ্রামে অস্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বিরল থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।





