কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গতকাল (রোববার, ৯ আগস্ট) ঘুমধুম বিওপি গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে, সীমান্তের নয়াপাড়া এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার একটি চালান নিয়ে আসতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নির্দেশনায় উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মেহেদী হাসান আশিকের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করে।
আরও পড়ুন
এর ধারাবাহিকতায় ১০ আগস্ট রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে সীমান্ত পিলার-৩১ থেকে প্রায় ১৩০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং ২ লাখ ৪৬ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, ‘শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিজিবি সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’




