আজ (সোমবার, ১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ-সমাবেশ শেষে ইউএনও কার্যালয়, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান ফটকে তালা লাগানো হয়। এ সময় ভুক্তভোগী সাধারণ আবেদনকারীরাও বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা এবং জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের নিয়োগ দেয়ারও অভিযোগ করেন তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াংকা দাস ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
আরও পড়ুন
দাবি পূরণ না হলে নাচোল উপজেলার সব সরকারি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা। পরে সরকারি দপ্তরগুলোর সামনে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আমানুল্লাহ আল মাসুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুরুল হোদা এবং কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল মেহরাব জাকারিয়াসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
তবে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা দাস। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাধীন দেশে যে কেউ দাবি-দাওয়া জানাতেই পারে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।’
ইউএনও জানান, বিকেল ৩টা পর্যন্ত সরকারি দপ্তরগুলোর তালা খোলা হয়নি। এতে এসব কার্যালয়ের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।




