পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দিনে যাদের সারের ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে তারা অনেকেই একটি দলের অনুসারী। কেউ কেউ পারিবারিকভাবে ডিলার হয়েছেন। তাদের অনেকেই এখন পলাতক রয়েছেন। অনেকেই ঠিকভাবে সার সরবরাহ করেন না। তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। আমাদের ম্যাসেজ ক্লিয়ার সার নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে মব, আতঙ্ক ও গুজব সৃষ্টি করার সুযোগ দেয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রতি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে বর্তমান যারা ডিলার আছেন তাদেরও বাদ দেয়া হবে না।’
আরও পড়ুন:
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘সার কিনতে সমস্যায় পড়েন ছোট ও বর্গা কৃষকরা। তার অল্প পরিমাণ সার দরকার কিন্তু ঠিকভাবে পায় না। আপনি স্বীকার করেন আর না করেন যে সারের দাম ১২০০ টাকা সেটা রাতের আঁধারে ১৭০০/১৮০০ টাকা বিক্রি হয়েছে। প্রশাসনকে বলবো আপনাদের শক্ত হাতে পদক্ষেপ নিতে হবে যেন কেউ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে কোনো সার বিক্রি করতে না পারে।
তিনি বলেন, ‘কোথায় কি হবে হোক কিন্তু পঞ্চগড়ে সারের সংকট ও মুনাফা করার জন্য ১২০০ টাকার সার ১৮০০ টাকা এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে আমরা কৃষককে হেনস্থা করবো না এটা ডিলারদের প্রতি আমার অনুরোধ।’
আরও পড়ুন:
এসময় তিনি কৃষকদেরও প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার মজুদ ও জমিতে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানান।
এসময় অন্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু ও চেম্বারের সভাপতি শরিফ হোসেনসহ প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা ও সার ডিলাররা বক্তব্য রাখেন।





