নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার দুপুরের দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক রিকশাচালক গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে বাড়ির সামনের একটি দোকানের কাছে রেখে যান। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা দ্রুত তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, কয়েক দিন আগে সদর উপজেলার বিলভাদুড়ি এলাকায় একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে সুমনকে রোববার কোনো এক সময় ধরে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ওসি আরও জানান, সুমনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে একটি রিকশায় হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।





